কোনো উপন্যাসেও স্থান পাবে না আমার নীরব অশ্রু...
ঢেউ আমার,
কেন আমি দিনদিন এমন হয়ে পড়েছি?
কেন বুকের ভেতর হঠাৎ জঘন্যভাবে চিনচিন ব্যথা হয়, কারণে-অকারণে মন খারাপে রুম থেকে বেরিয়ে চলে যাই গহীন রাত্রিরে গহীন মাঠে, অনবরত চোখ দিয়ে শুধু শুধু বৃষ্টি নামে, মাঝরাত্রির হঠাৎ একা দুঃস্বপ্নে জেগে উঠি তোমাকে না পাওয়ার, না বুঝাতে পারার আর্তনাদে।
তুমিও কি এভাবে আর্তনাদ করে জেগে উঠো?
হয়তো বা করো, অন্য কারো জন্য। :'(
বিচ্ছেদের কষ্টে মনটা ভারী হয়ে আসলে আর্তনাদ হয়তো করো আব্বুর কোলে মাথা রেখে।
কিন্তু আমি?
আমার কেউ নেই এ পৃথিবীতে বুকফাঁটা নীরব-নিভৃত-চাপা আর্তনাদ শুনার জন্য :'))
লক্ষ্মীটি!
প্রেম হলে তো কবেই ভুলে যেতাম—
ভাগ্যিস মায়ায় পড়ে গেছি। এ মায়া তো আমার জনমেও কাটবে না গো! :'((
প্রেম ভুলে যাওয়া যায় খুব সহজে, কিন্তু মায়ায় পড়লে তা ভালোবাসা হয়ে নিত্যদিনের ইবাদতে পরিণত হয় লক্ষ্মীটি, ভুলা যায় না কোনোদিন। মায়া জিনিসটা বড়ই খারাপ।
অন্বিতা,
মায়া এক জঘন্য নিরাকার পারমাণবিক অস্ত্র। কারোর মায়ায় আটকে গেলে হৃদয়কে দু-চোখ অশ্রু দিয়ে বছরের পর বছর পরিষ্কার করেও সে মায়া মুছা যায় না গো। একদিন যা'রে মায়া করেছি ভুল করেও, তার পাশ কাটিয়ে অচেনা মানুষের ভান করে চলে আসা সত্যিই কঠিন, সত্যিই কঠিন লক্ষ্মীটি!
কই? :'(
আমি তো মনকেই বোঝাতে পারি না যে এখন আর সম্পর্ক নেই, অধিকার নেই, যোগাযোগ নেই, সবকিছু ফের ঠিক হবে এমন কোন সম্ভবনাও তেমন নেই। এই মনকে বোঝাতে না পারার ব্যাপারটাই সবচেয়ে বেশী দুঃখ দেয়। হাজার চেষ্টা করেও তখন ভালো থাকা যায় না। নিজের সাথে নিজের এক শীতল লড়াই চলতে থাকে, ক্লান্ত লাগে, লাগে একা আমার, বড়ই একা,শ্বা----সরুদ্ধকর একা।🥺
“এত বড় একটা পৃথিবী—
৮০০ কোটি+ মানুষ!
[০৫/১০/২০২৩; 3:00 AM]



Comments
Post a Comment