হৃদয় যেন শতাব্দীর পুরোনো সেই নির্জন বাড়ি, যে বাড়ির দরজায় কেউ কোনোদিন কড়া নাড়েনি...
ঊর্মিমালা গো!
তুমি মোর হইয়া থাইকোও
মউতের আগঅব্দি মোর কইলজার ভিতরে।
ঐ ডাঙ্গর সাগরের ঝিনুকের কইলজার ভিত্রে যেম্নে ছোট্ট খোকামণির মতোন লুকায় থাহে মুক্তাদানা।
জানো!
তুমি মোর লগে থাকলে,
মুই জিত্তা লইমু দুনিয়ার সব, সব!
মুই জানি, মুগোরে একলগে থাকতে দেইখ্যা খুশিতে জোয়ার উঠব যমুনার জলে, খিলখিল কইরা হাসবো তামাম প্রান্তরের কাঁচা ধান আর সবুজ শ্যামলিমা। আকাশে-বাতাসে উচ্ছ্বাস করবো উড়ন্ত পাখিরা।
হইলেও হইয়্যা যাতে পারে টানা সারেদিন রহমতের বৃষ্টি...
এক হওনের পরে পাহাড়ে গিয়া উঁচায় বইয়া আমরা প্রকৃতি দেখমু, দেখমু রাখালের ভেঁড়া চরাইবার সিনারি।
মনটন খারাপ হইলে গিয়া আমরা বসমু শ্মশানেী নদীর কিনারত-
যেইহানে ঢেউয়ের লগে ভাইসা আসে লাল লাল কাঁকড়া ও কচুরিপানা আর পাখিরা ডালে বইয়া শিশ দেয় আর গীত গায়।
সন্ধ্যায় যামুগা সাগর পাড়ে। চোরাবালির উপর বইসা দেখমু তোমার অবিকল চেহারাখানা আসমানে।
শইল্লের ভিতরে হাপর লাগলে আমরা ওইহানে বিছাইয়া লইমু ফুলের বিছানা। আমরা একজন আরেকজনরে বুকে লইয়া ঘুমায় থাকমো ভুট্টা ক্ষ্যাতে, ঠিক সাপের লাহান জড়াইয়া প্যাছাইয়া।
তোমারে মুই জংলা লতাপাতা আর একটা ঘাস ফুল টুকাইয়া বানাইয়া দিমু রানিগোর মাথার তাজ; হেরপর মুই রাজা হইমু তোমার।
বিশ্বাস করো!
তুমি মোর লগে থাকলে জীবনটা মোর সহজ হইয়া যাবে; মোর খালি বুকটায় ভরা থাকবে বারোমাসি আনন্দে। মুই তো তোমার লাইগাই জন্মাছি; মুই মইরাও যামু তোমার লাইগা।
হ্য রে পাগলি! মইরাই যামু একেবারে জনমের মরা☺️
তুমি মোরে থুইয়া কোনখানে যাইয়োও না আর। আর যাইয়ো না রে!
তুমি থাইকা যাইয়োও মোর কইলজার ভিতর।
মুই তোমারে লইয়া নুন ভাতের সংসার বান্ধুম;
মুই তোমারে মোর চোউক্ষের সামনে দেখতে দেখতে রঙেঢঙে পার কইরা দিমু জনম জনম।
যাইয়ো না আর কোথাও হারাইয়া আর কোনো নোংরা সংস্পর্শে।
যাইয়ো না....
[১৮/০৯/২০২৩]



Comments
Post a Comment